শেয়ারদর অস্বাভাবিক বৃদ্ধি

ডিএসইর চিঠির জবাব দেয়নি ইয়াকিন পলিমার ও নিউ লাইন

সাম্প্রতিক সময়ে প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড ও বস্ত্র খাতের কোম্পানি নিউ লাইন ক্লদিংসের শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড ও বস্ত্র খাতের কোম্পানি নিউ লাইন ক্লদিংসের শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। কোম্পানি দুটির অস্বাভাবিক শেয়ারদর ও লেনদের বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে চিঠি দেয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তবে এখনো কোম্পানি দুটির কাছ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। গতকাল ডিএসইর পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ইয়াকিন পলিমারের শেয়ারদর গত ১২ জানুয়ারি ছিল ৯ টাকা ৮০ পয়সা। এর পর থেকে কোম্পানিটির শেয়ারদর ক্রমান্বয়ে ঊর্ধ্বমুখী। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ১০ পয়সায়। এ সময়ে শেয়ারটির দর বেড়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ। ইয়াকিন পলিমারের কাছে ১২ ফেব্রুয়ারি চিঠি পাঠিয়ে শেয়ারদর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে চিঠি দেয়া হয়েছিল। যদিও এখন পর্যন্ত সে চিঠির কোনো জবাব দেয়নি কোম্পানিটি।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ ও ২০২২-২৩ হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ করেনি ইয়াকিন পলিমার। উচ্চ আদালতের কাছ থেকে বিলম্বিত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজনে এখনো কোনো নির্দেশনা না আসার কারণে এজিএম আয়োজন করাসহ নিরীক্ষিত ও অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারছে না কোম্পানিটি।

নিউ লাইন ক্লদিংসের শেয়ারদর গত ১৩ জানুয়ারি ছিল ৬ টাকা ৫০ পয়সা। এর পর থেকেই কোম্পানিটির শেয়ার দর ক্রমান্বয়ে ঊর্ধ্বমুখী। সর্বশেষ গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১১ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৭২ শতাংশ। কোম্পানিটির কাছে ১৩ ফেব্রুয়ারি শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক হারে বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছিল ডিএসই। যদিও এখন পর্যন্ত সে চিঠির কোনো জবাব আসেনি।

২০১৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নিউ লাইন ক্লদিংসের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৭৮ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১০৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৮৫ লাখ ৩২ হাজার ৬৫০। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ৬১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৫১ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

আরও